
মো:মিনহাজুল ইসলাম সীমান্ত ,স্টাফ রিপোর্টার:
মাওলানা ভাসানী সেতু উদ্বোধনের ফলে কুড়িগ্রামের চিলমারী ও উলিপুর উপজেলার সঙ্গে রাজধানীর সড়ক যোগাযোগে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হলেও এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সেতুটি চালুর ফলে ঢাকার সঙ্গে এই অঞ্চলের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমে এলেও সরাসরি বাস সার্ভিস চালু না হওয়ায় চিলমারী ও উলিপুরবাসীকে এখনো ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ঢাকার গাবতলী থেকে রংপুর-কুড়িগ্রাম হয়ে চিলমারীর যাতায়াত দূরত্ব প্রায় ৩৬৮ কিলোমিটার। অথচ মাওলানা ভাসানী সেতু ব্যবহার করে পলাশবাড়ী-গাইবান্ধা হয়ে চিলমারীর দূরত্ব মাত্র ২৯০ কিলোমিটার। অর্থাৎ নতুন এই রুটটি ব্যবহার করলে পথ কমে যায় প্রায় ৭৮-৮০ কিলোমিটার। যাত্রীপ্রতি ২.১২ টাকা ভাড়া হিসেবে ধরলে এই পথে যাতায়াতে প্রতিটি যাত্রীর অন্তত ১৭০ টাকা সাশ্রয় হওয়ার কথা।
কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, মাওলানা ভাসানী সেতু চালুর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও এখনো উলিপুর-চিলমারী-গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী হয়ে ঢাকাগামী সরাসরি কোনো বাস সার্ভিস চালু হয়নি। ফলে স্থানীয় যাত্রীরা বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত সময় এবং বাড়তি ভাড়া দিয়ে রংপুর-কুড়িগ্রাম হয়ে দীর্ঘ পথ ঘুরে ঢাকায় যাতায়াত করছেন। এতে একদিকে যেমন যাত্রীদের কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে আর্থিকভাবেও তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, সেতুটি আমাদের জন্য আশীর্বাদ হওয়ার কথা থাকলেও পরিবহণ মালিকদের উদাসীনতা বা সমন্বয়হীনতার কারণে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে এই রুটে ঘরমুখো মানুষের চাপ কয়েক গুণ বাড়বে। এই অবস্থায় চিলমারী ও উলিপুরের মানুষের সহজ ও সাশ্রয়ী যাতায়াত নিশ্চিত করতে ঈদের আগেই এই রুটে সরাসরি বাস সার্ভিস চালুর জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও পরিবহণ মালিক সমিতি দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনস্বার্থে সরাসরি বাস সার্ভিস চালু করবে, যাতে এই অঞ্চলের মানুষ মাওলানা ভাসানী সেতুর প্রকৃত সুবিধা ভোগ করতে পারে।
৮০ রুপায়ন টাওয়ার, লেভেল -৩ (লিফটের 3), কাকরাইল, ঢাকা 1000, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ শরিফুল আলম, সহ প্রকাশক: মোঃ ফারুক হোসেন । মোবাইল: 01604 872 968
Millennium NEWS BD