

মো, এলাহী মালয়েশিয়া
মালয়েশিয়ায় দুটি পৃথক অভিযানে মোট ৭৮ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। আটকদের মধ্যে ৪৫ জন বাংলাদেশি রয়েছেন। বৈধ কাগজপত্র ও পাস ছাড়া কাজ করা এবং পাস অপব্যবহারের অভিযোগে এই অভিযান পরিচালিত হয় নেগেরি সেম্বিলান ও জোহর রাজ্যো। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে নেগেরি সেম্বিলান রাজ্যের একটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংস্থায় অভিযান চালিয়ে ৪১ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে নেগেরি সেম্বিলানের এনফোর্সমেন্ট ডিভিশন বেলা ১১টার দিকে এই অভিযান পরিচালনা করে।
রাজ্যের অভিবাসন বিভাগের পরিচালক কেনেথ তান আই কিয়াং জানান, পরিদর্শনের সময় যাচাই করা ১২০ জন কর্মীর মধ্যে ২১ থেকে ৪৯ বছর বয়সি ৪১ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে বাংলাদেশি ৩৬, নেপালের ২ জন ও পাকিস্তানের ৩ জন নাগরিক রয়েছে আটকদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ধারা ৬(১)(সি), ধারা ১৫(১)(সি) এবং ইমিগ্রেশন আইন ১৯৬৩ এর বিধি ৩৯(বি) লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
আটক কয়েকজনের অস্থায়ী ওয়ার্ক ভিজিট পাস থাকলেও তারা পাস-এ উল্লিখিত কাজের ক্ষেত্র থেকে ভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করে শর্তের অপব্যবহার করেছেন। আটকদের পরবর্তী তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপের জন্য নেগেরি সেম্বিলানের লেংগেং ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে। পরিচালক আরও হুঁশিয়ারি দেন যে, অবৈধ অভিবাসীদের নিয়োগ বা আশ্রয়দাতা নিয়োগকর্তা বা ব্যক্তির বিরুদ্ধেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে, গত বুধবার মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে পরিচালিত অপর এক অভিযানে ৬ বছর বয়সি এক শিশুসহ ৩৭ জন বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। জোহর রাজ্যের পন্টিয়ান এবং কুলাই এলাকার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, জনসমাগমস্থল এবং বিদেশি শ্রমিকদের আবাসস্থলে এই অভিযান চালানো হয়। জোহরের এনফোর্সমেন্ট ডিভিশনের ৭২ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অভিযানে অংশ নেন।
আটকদের বয়স ৬ বছর থেকে ৪৭ বছর। এই অভিযানে আটকদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার ১১ জন (যার মধ্যে ৬ বছর বয়সি এক শিশু রয়েছে), বাংলাদেশের ৯, পাকিস্তানের ৮, মিয়ানমারের ৬ ও ভারতের ৩ জন নাগরিক রয়েছে।প্রাথমিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আটক অবৈধ বিদেশিদের বৈধ ভ্রমণ নথি ছিল না, তারা সোশ্যাল ভিজিট পাসের অপব্যবহার এবং অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করার মতো অপরাধ করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশনস ১৯৬৩ এর অধীনে অপরাধ করার সন্দেহ রয়েছে।
আটকদের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সেতিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে। জোহর অভিবাসন বিভাগ দৃঢ়তার সাথে জানিয়েছে, জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের কঠোর এনফোর্সমেন্ট ব্যবস্থা ধারাবাহিকভাবে চালু থাকবে।
৮০ রুপায়ন টাওয়ার, লেভেল -৩ (লিফটের 3), কাকরাইল, ঢাকা 1000, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ শরিফুল আলম, সহ প্রকাশক: মোঃ ফারুক হোসেন । মোবাইল: 01604 872 968
Millennium NEWS BD