আখতারুজ্জামান আসিফ, চিলমারী, কুুড়িগ্রাম: ২ ফ্রেব্রুয়ারী ২০২৬, বিকাল ৪ ঘটিকায় উপজেলা পরিষদ মোড় হতে ২৮ কুুড়িগ্রাম-৪, এ একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী জনাব রুকুনুজ্জামান শাহীন, কয়েক হাজার লোক নিয়ে উপজেলা পরিষদ মোড় থেকে মাটিকাটা, পাম্পের মোড় থেকে পুনরায় এলএসডি মোড়, বাজারে গিয়ে একটি পথসভা করেন। মাগরিবের নামাজের বিরতি দিয়ে মিছিলটি মহিজলের চায়ের দোকানে আরেকটি পথসভা করে মিছিলটি বাজার প্রদক্ষিণ করে কলেজ মোড় হয়ে এলএসডি মোড়ে আরেকটি পথসভা করে উপজেলা পরিষদ মোড়ে তার নির্বাচনী কার্যালয়ে শেষ করেন।
পথ সভায় তিনি সাধারন মানুষ, ব্যবসায়ী, দিনমজুর, রিক্সা শ্রমিক, ভ্যান শ্রমিক সহ সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করেন। তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ দিন পর সুযোগ এসেছে চিলমারীতে এমপি রাখার, এসুযোগ কাজে লাগিয়ে চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর এলাকার উন্নয়ন করার সুযোগ দিন। আমি দুবার উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালীন চিলমারীতে প্রায় ২০টির মত পাকা রাস্তা তৈরী করেছি, সেটাও ছিল মাত্র অল্প সময়ে। আশা করি আপনাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে এলাকার উন্নয়ন করার সুযোগ দিবেন।
সকল দলের নেতাকর্মীদের অনুরোধ করে বলেন, আমার চেয়ে তারা যদি যোগ্য মনে হয় সেটা আপনারা বিবেচনা করবেন। একটি দলের নেতা তারা কেউ চিলমারী উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা নন, বিভিন্ন উপজেলার থেকে এসে চিলমারীর ভোট অন্য এলাকায় দেয়ার কথা বলতেছেন, তাদের কি লাভ তারা নিজেরাও জানে না। অথচ এখানকার উন্নয়ন মূখী মানুষদের ভুলভাল ও জান্নাতের টিকিট দেয়ার কথা বলে মিথ্যা আস্বাস দিচ্ছে। জান্নাত দেয়ার মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ পাক। তাই সকলকে বলবে আপনারা এবারে বালতি মার্কায় ভোট দিয়ে এলাকার উন্নয়ন করার সুযোগ দিন। চিলমারীতে দলীয় কোনো নমিনেশন না দেয়ায় মানুষ আমারদের তিরস্কার করে বলে চিলমারীতে নির্বাচন করার মত যোগ্য লোক নেই, তাই আমি আমি সকল সাধারন মানুষের মনোনীত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি।
পরিষেশে এটাই বলবো, চিলমারীর মানসম্মান রক্ষা করার দায়িত্ব আপনাদের। চিলমারীর মার্কা হবে বালতি, আপনারা একেকজন একটি বালতির কর্মী হয়ে মাঠে নেমে পরেন।



















