ঢাকা আজ শুক্রবার, ৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আজ ৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অনুসন্ধান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আর্টিকেল
  8. কবিতা
  9. কৃষি
  10. খেলাধুলা
  11. গণমাধ্যম
  12. গল্প
  13. জাতীয়
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. বিনোদন

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবিতে দীর্ঘায়িত শাটডাউন ও পরীক্ষা বর্জনের প্রতিবাদে ক্রমান্বয়ে ফুসে উঠছে ছাত্র-ছাত্রী সহ ও অভিভাবক সমাজ

প্রতিবেদক
মিলেনিয়াম নিউজ বিডি
ডিসেম্বর ৪, ২০২৫ ৮:৩৬ অপরাহ্ণ

(পলাশ পাল নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি) বর্ধমান শিক্ষকদের সাম্প্রতিক সময়ে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন-গ্রেডও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা সংক্রান্ত আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সারা দেশের মত নেত্রকোনা জেলার প্রতিটি উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান ও বার্ষিক পরীক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এর ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মারাত্মক শিক্ষাহানির মুখে পড়েছে—এমন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক সমাজ।
অভিভাবকরা বলেন, শিক্ষকদের দাবি যদি ন্যায্য হয় সরকারকে জানানো স্বাভাবিক; তবে পরীক্ষা ও পাঠদান বন্ধ করে আন্দোলন করা কোনোভাবেই শিক্ষার্থীবান্ধব নয়। বিশেষ করে বার্ষিক পরীক্ষার সময় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হওয়া একটি দায়িত্বশীল শিক্ষকের আচরণ হতে পারে না।
অভিভাবক সমাজ অভিযোগ করে আরও জানায়, দীর্ঘদিন একই বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকা অনেক শিক্ষক কোচিং বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন। তাই অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের মতো শিক্ষকদের নিয়মিত বদলি (রোটেশন) ব্যবস্থা চালু করার দাবি জানান তারা। এতে বিদ্যালয়ে প্রভাব-অপ্রভাব ও কোচিং নির্ভরতা কমে শিক্ষার পরিবেশ আরও স্বচ্ছ হবে বলে তাদের বিশ্বাস।
অভিভাবক সমাজের প্রধান দাবি–দাওয়া:
পাঠদান ও পরীক্ষা বন্ধ রেখে কোনো আন্দোলন নয়—শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
শিক্ষকদের বাধ্যতামূলক বদলি/রোটেশন ব্যবস্থা চালু করা, যাতে কোচিং বাণিজ্য ও বছরের পর বছর একই স্থানে থাকার অনিয়ম দূর হয়।
আন্দোলন দীর্ঘস্থায়ী হলে জরুরি অনলাইন বা বিকল্প পাঠদান ব্যবস্থা চালু করা।
স্থগিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে নতুন তারিখ দ্রুত ঘোষণা এবং শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্তি দূর করা।
বিদ্যালয়–অভিভাবক–প্রশাসনের সমন্বয় কমিটি সক্রিয় করা।
শিক্ষাহানি পুষিয়ে নিতে অতিরিক্ত ক্লাস বা বিশেষ পুনর্বাসন পরিকল্পনা গ্রহণ।
অভিভাবকদের দাবি, শিক্ষকদের দাবি যদি যৌক্তিক অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি, তবে সেই সমাধান যেন কোনোভাবেই শিক্ষার্থীদের উপর নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে।
তারা আশা প্রকাশ করেন—সরকার, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্টরা দ্রুত সমাধানে পৌঁছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা স্বাভাবিক করবেন অন্যথায় সন্তান এর শিক্ষার স্বার্থে আমরা মাঠে নামতে বাধ্য হব।

কমেন্ট করুন

সর্বশেষ - কৃষি

আপনার জন্য নির্বাচিত

সচিবালয় ও যমুনার আশপাশে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, কলাবাগান থানার ওসি-এসআই প্রত্যাহার

গ্রেফতার মমতাজ, যা বললেন ইলিয়াস হোসেন

রহস্যের চক্রব্যূহ ভেদ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে তদন্তে দায়িত্বরতদের

সিরাজগঞ্জে ওলামা দলের নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন 

বাংলাদেশি শ্রমিকদের সঙ্গে প্রতারণা জাতিসংঘের কড়া সতর্কবার্তা

অতীতের দুর্বৃত্তায়নই আমাদের শিল্পখাতের ব্যর্থতার কারণ: উপদেষ্টা সাখাওয়াত

চিলমারীতে মহিলা দলের উদ্যোগে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

তিন প্রকৌশলীর গোপন সমঝোতায় গচ্চা ৫শ কোটি টাকা

শাপলা চত্বরে শহিদ হওয়া ৯৩ জনের তথ্য প্রকাশ হেফাজতের