ঢাকা আজ মঙ্গলবার, ২৪শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আজ ২৪শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অনুসন্ধান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আর্টিকেল
  8. কবিতা
  9. কৃষি
  10. খেলাধুলা
  11. গণমাধ্যম
  12. গল্প
  13. জাতীয়
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. বিনোদন

নেত্রকোণায় ব্যাপক সাড়া জাগানো ব্রি ধান-১০৩ এর নমুনা শস্য কর্তন উদ্বোধন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

প্রতিবেদক
মিলেনিয়াম নিউজ বিডি
নভেম্বর ২৫, ২০২৫ ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ


(নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি) নেত্রকোণায় জেলা সদরের ছোটগাড়া এলাকায় এলএসটিডি প্রকল্পের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), আঞ্চলিক কার্যালয়, নেত্রকোণার বাস্তবায়নে ব্রি ধান-১০৩ এর নমুনা শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয়ভাবে ও আঞ্চলিক আমন মৌসুমের উচ্চ ফলনশীল এ জাতটি দ্রুত জনপ্রিয় করণের উদ্দেশ্যে উক্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর সোমবার সকাল ১০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রি১০৩, নেত্রকোণা কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান জনাব-খালিদ হাসান তারেক।উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড.সালমা লাইজু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা ড. চন্দন কুমার মহাপাত্র, সদর উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা রাখি পোদ্দার এবং ব্রি, স্যাটেলাইট স্টেশন, ময়মনসিংহ এর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হুর-ই-ফেরদৌসি তাজিন।
এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা শরীফুল আলম সবুজ, সন্তু মিয়া, ব্রি ১০৩-নেত্রকোণা’র বৈজ্ঞানিক সহকারী আনোয়ার হোসেন মণ্ডল, ব্রি ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিকসহ স্থানীয় কৃষক-কৃষাণীগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি ড. সালমা লাইজু তার বক্তব্যে বলেন, “ব্রি ধান১০৩ প্রায়ই এর গড় ফলনের চেয়ে বেশি ফলন দেয়। বিশেষ করে নেত্রকোণা অঞ্চলের জন্য এটি বিশেষ উপযোগী একটি উফশী জাত।” তিনি ধান চাষে বায়োপেস্টিসাইড ও তরল জৈব সারের ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দেন এবং উক্ত অঞ্চলে শস্যের নিবিড়তা বাড়াতে রিলে পদ্ধতিতে সরিষা চাষের পরামর্শ ও প্রদান করেন।
মাঠ দিবসে কৃষকদের উপস্থিতিতে নমুনা শস্য কর্তন করা হয়। ১০ বর্গমিটার জমির নমুনায় হেক্টরপ্রতি ৬.৩ টন ফলন পাওয়া যায়। ফলনে সন্তুষ্ট পরীক্ষণ বাস্তবায়নকারী কৃষক ওয়াজেদ মিয়া এবং উপস্থিত স্থানীয় কৃষকরা জানান, ভবিষ্যতে এ জাতের চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তারা বীজ সংগ্রহে আগ্রহী।
ব্রি নেত্রকোণার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান মো. খালিদ হাসান তারেক বলেন, “দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল উফশী জাত সমূহ চাষের বিকল্প নেই। আধুনিক প্রযুক্তিতে ধান চাষ করলে কৃষক অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হবে এবং তাদের জীবনমান উন্নত হবে।” তিনি আরও বলেন, “অসাধু বীজ ব্যবসায়ীদের প্রতারণা থেকে রক্ষা পেতে কৃষকদের স্থানীয়ভাবে বিশুদ্ধ বীজ সংগ্রহ করতে হবে।”
অনুষ্ঠান শেষে কৃষকদের মধ্যে প্রযুক্তিগত নানা দিক নিয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। মাঠ দিবসে কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা মত দেন—ব্রি ধান১০৩ স্থানীয়ভাবে সম্প্রসারিত হলে আমন মৌসুমে জেলাজুড়ে উচ্চ ফলন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

কমেন্ট করুন

সর্বশেষ - কৃষি