(পলাশ পাল, নেত্রকোনা প্রতিনিধি) নেত্রকোনার কলমাকান্দার সীমান্তবর্তী পোগলা ইউনিয়নে চোরাকারবারি চক্রের অন্তদ্বন্দ্বে ফাঁস হয়ে যায় ভারতীয় কম্বল মজুতের ঘটনা। দুই দিনে উদ্ধার করা হয়েছে ৮০ পিস ভারতীয় সিঙ্গেল কম্বল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে নৌকাযোগে সীমান্ত এলাকা থেকে ৩৭০ পিস ভারতীয় কম্বল এনে ঢাকায় পাচারের প্রস্তুতি চলছিল। ওই রাতেই উপজেলার রানীগাও গ্রামে হরিলুটের ঘটনা ঘটে। এর পর থেকেই চোরাকারবারি চক্রের অন্তর্কলহ প্রকাশ্যে আসে।
গ্রামবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তপথে ভারতীয় মালামাল পাচার ও মজুতের গোপন কার্যক্রম চালিয়ে আসছে বাঙ্গালভিটার আল আমিনসহ, শাহআলম ও তপুসহ আরো কয়েকজন। মঙ্গলবার রাতে ওই চক্রের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দিলে স্থানীয় শাহিন, দেলোয়ার, শাহআলমসহ কয়েকজন মিলে কম্বল হরিলুটে জড়ায় বলে জনশ্রুতি রয়েছে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাতে পোগলা ইউনিয়নের রানীগাও গ্রামে কংশ নদীর তীরে তারাব আলীর বাড়ির পাশের ঝোপ থেকে ৬৮ পিস ভারতীয় কম্বল উদ্ধার করা হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার রাতে একই ইউনিয়নের গুনা মিয়ার বাড়ির সামনের সড়ক থেকে আরও ১২ পিস কম্বল উদ্ধার করা হয়।
কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সজল কুমার সরকার বলেন, দুই দিনে মোট ৮০ পিস ভারতীয় কম্বল উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এখনো বিভিন্ন স্থানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কম্বল মজুত রয়েছে। তাদের দাবি, পুলিশ যদি সুকৌশলে অভিযান চালায় তাহলে আরও অনেক কম্বল উদ্ধার করা সম্ভব।
এ বিষয়ে কলমাকান্দা উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক জিহাদ খান মিতুল বলেন, আমার পাশ্ববর্তী গ্রামে ঘটনা ঘটেছে শুনেছি। কুখ্যাত শাহিন (ছালামের ভাতিজা), শাহআলম, দেলোয়ারসহ যারা এ চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।
তিনি আরও জানান, বিএনপির কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক জননেতা ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নির্দেশে মাদক, চোরাকারবারি ও জুয়ার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।



















