মোঃ গুলজার রহমান বগুড়াপ্রতিনিধি:
বগুড়ার নন্দীগ্রামে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে স্ত্রী মোরশেদা বেগমকে (৪৫) হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী তায়েজ উদ্দিনের (৫২) বিরুদ্ধে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার বাঁশো গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা ঘাতক স্বামীকে আটক করে হত্যায় ব্যবহৃত কুড়ালসহ পুলিশে সোপর্দ করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩০ বছর আগে পারিবারিকভাবে তায়েজ উদ্দিনের সঙ্গে একই গ্রামের মোরশেদার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিন কন্যা সন্তান রয়েছে।
স্বজনরা জানান, গত সাত বছর ধরে তায়েজ উদ্দিন মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। দীর্ঘ চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থ হলেও তিনি প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন। গত দুই সপ্তাহ আগে মোরশেদার মায়ের মৃত্যু হওয়ায় তিনি বাবার বাড়িতে ছিলেন। মাত্র তিন দিন আগেই তিনি স্বামীর বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন।
শনিবার দুপুরে মোরশেদা বেগম রান্নাবান্না শেষে গোসলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে স্বামী তায়েজ উদ্দিন হঠাৎ করে একটি কুড়াল নিয়ে এসে তাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করেন। গুরুতর জখম নিয়ে মোরশেদা ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা দ্রুত এগিয়ে এসে তায়েজ উদ্দিনকে ধরে ফেলেন এবং তাকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন।
এ বিষয়ে বগুড়ার সহকারী পুলিশ সুপার নুরুজ্জামান চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আটক তায়েজ উদ্দিনকে হেফাজতে নেয়।
তিনি বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পারিবারিক কলহ ও মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। আমরা মরদেহের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। ঘটনা তদন্ত করে



















