ঢাকা আজ শুক্রবার, ৮ই মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজ ৮ই মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৫শে বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অনুসন্ধান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আর্টিকেল
  8. কবিতা
  9. কৃষি
  10. খেলাধুলা
  11. গণমাধ্যম
  12. গল্প
  13. জাতীয়
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. বিনোদন

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ‘রাজী’ নদী দখল এর অভিযোগে স্থানীয় জনগণের মানববন্ধন

প্রতিবেদক
দৈনিক মিলেনিয়াম নিউজবিডি
অক্টোবর ১৪, ২০২৫ ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ

(নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি)
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় মোজাফফরপুর ইউনিয়নে হারুলিয়া গ্রামে ঐতিহাসিক ‘রাজী’ নদী দখল ও নদী হত্যার অভিযোগে প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা হাজী লিটনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
গত রবিবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ‘সচেতন গ্রামবাসী’ ব্যানারে আয়োজিত এ মানববন্ধনে প্রায় শতাধিক স্থানীয় মানুষ অংশগ্রহণ করেন। তারা ‘রাজী’ নদী দখল, নক্সা পরিবর্তন, সরকারি তহবিল আত্মসাৎসহ প্রশাসনের নীরব ভূমিকার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ফরহাদ হোসেন, ইমরান হোসেন, আব্দুর রহমান রতন মিয়া প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ‘রাজী’ নদী শুধু একটি জলাশয় নয়, এটি হারুলিয়ার ঐতিহ্যের প্রতীক। একে হত্যা করা মানে গ্রামের অস্তিত্ব ধ্বংস করা।
স্থানীয় মেম্বার হুমায়ুন কবির বলেন, এই ভুমি দস্যু লিটন হাজীর হাত থেকে রাজী নদী উদ্ধার করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া এখন সময়ের দাবী বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাজী লিটন দীর্ঘদিন ধরে সরকারি প্রভাব খাটিয়ে ‘রাজী’ নদীর পুরনো নক্সা পরিবর্তন করে সেটিকে ‘খাল’ হিসেবে দেখান। এরপর সেই নক্সা অনুযায়ী কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ব্রিজ নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদন হয়, যাতে তার প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ছিল। কিন্তু বাস্তবে পুরনো নদীপথ ভরাট করে সেখানে রাস্তা নির্মাণ করা হয়, ফলে নদীটি সরকারি কাগজে কার্যত বিলুপ্ত হয়ে যায়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অযৌক্তিক টেন্ডারের মাধ্যমে প্রায় কোটি টাকার সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে, অথচ ব্রিজটি আজও অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে।
তারা আরও জানান, বিগত সরকারের আমলে কেউ এই অনিয়মের প্রতিবাদ করতে গেলে হাজী লিটনের অনুসারীরা তাদের ওপর হামলা চালাত, এমনকি মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করত। কয়েকজনকে রক্তাক্ত জখমও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
বর্তমানে হাজী লিটন আবারও ‘রাজী’ নদীকে ‘ফিশারিজ প্রকল্প’ দেখিয়ে নিজের সম্পত্তি দাবি করছেন। নিজে না গিয়ে অন্য এলাকার লোকজনকে ব্যবহার করে জবর দখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং স্থানীয়দের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে সচেতন মহল ও স্থানীয় নাগরিক সমাজ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট জানতে চায় – একটি প্রাকৃতিক নদী কীভাবে বন্দোবস্তের আওতায় আসে? কেন্দুয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস কি করে নদীকে খাল হিসেবে দেখিয়ে এমন অনুমোদন দেয়? প্রশাসনের এমন ভূমিকা নিয়েও এলাকায় ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার হবে বলে জানান সহকারি কমিশনার (এসিল্যান্ড) নাইম উল ইসলাম চৌধুরী।
স্থানীয় এলাকাবাসী অবিলম্বে ‘রাজী’ নদী দখলমুক্ত করার জন্য প্রশাসনের যৌতিক হস্তক্ষেপ, প্রকৃত নক্সা পুনঃস্থাপন ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত দ্রুত এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান

কমেন্ট করুন

সর্বশেষ - কৃষি

আপনার জন্য নির্বাচিত

রাশিয়ার ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা অনুমোদন

আমরা কোনো দলকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে নই: জি এম কাদের

নিজের মাথায় গুলি করেন এএসপি পলাশ

সিরাজগঞ্জে পাটচাষে গতি আনতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে পাটবীজ ও সার বিতরণ 

কুষ্টিয়া মিরপুর থানার পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৩

ঘুষ না দেওয়ায় নিয়োগবঞ্চিত প্রথম স্থান অধিকারী, ডিসিসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা: বগুড়ায় নিয়োগ কার্যক্রমে আদালতের নিষেধাজ্ঞা

এসএসসি-এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েও ভর্তি পরীক্ষায় ফেল, শরীরে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা

চিলমারীর ঐতিহ্যবাহী ম্যালানি উৎসবে গান দর্শক মাতালেন এসআই জাহাঙ্গীর

মালয়েশিয়ায় বিনোদন কেন্দ্রে অভিযান বাংলাদেশিসহ ২৩৬ অবৈধ অভিবাসী আটক

ঢাবি ক্যাম্পাসে ছাত্রদল নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা