ঢাকা আজ সোমবার, ৪ঠা মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজ ৪ঠা মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অনুসন্ধান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আর্টিকেল
  8. কবিতা
  9. কৃষি
  10. খেলাধুলা
  11. গণমাধ্যম
  12. গল্প
  13. জাতীয়
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. বিনোদন

একটি ‘ভুল’ ঢাকতে শিশুহত্যা,ভয়ের কাছে হার মানা এক নিষ্ঠুর সিদ্ধান্ত

প্রতিবেদক
মিলেনিয়াম নিউজ বিডি
মে ৪, ২০২৬ ৩:২৭ অপরাহ্ণ
একটি ‘ভুল’ ঢাকতে শিশুহত্যা,ভয়ের কাছে হার মানা এক নিষ্ঠুর সিদ্ধান্ত


ডেস্ক রিপোর্ট:ঘটনাটা যতটা নির্মম, তার ভেতরের মনস্তত্ত্বটা ততটাই অস্বস্তিকর। এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি ভয়, আতঙ্ক আর দায় এড়ানোর এক ভয়ংকর পরিণতির গল্প।
চিলমারী-এর একটি ছোট্ট গ্রাম। সেখানেই দুই বছরের শিশু আয়শা খাতুন,যে বয়সে শিশুরা ঠিকমতো কথাও বলতে শেখে না,সেই বয়সেই তাকে জীবন দিতে হলো এমন এক নির্মমতায়, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত কহিনুর বেগম কনিকা জানায়, ঘটনার দিন সকালে তার আড়াই বছর বয়সী ছেলে মো. আব্দুল্লাহ কাফির সঙ্গে খেলছিল আয়শা। খেলার একপর্যায়ে একটি কলমের আঘাত লাগে আয়শার চোখে, এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

এখানেই ঘটনাটা থেমে যেতে পারত।

একটু সাহস, একটু মানবিকতা আর সত্য বলার মানসিকতা থাকলে একটি শিশুর জীবন হয়তো রক্ষা পেত। কিন্তু বাস্তবতা অন্যদিকে মোড় নেয়।
হঠাৎ ঘটে যাওয়া ঘটনায় ভীত হয়ে পড়ে কনিকা। সেই ভয়ই তাকে ঠেলে দেয় এমন এক সিদ্ধান্তের দিকে, যা কোনোভাবেই ব্যাখ্যা বা গ্রহণযোগ্য নয়। দায় এড়াতে আহত শিশুটিকে নিজের ঘরে নিয়ে গিয়ে তার মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধ করা হয়। এরপর নিশ্চিত মৃত্যুর জন্য তাকে একটি ড্রামের ভেতরে আটকে রাখা হয়।
একটি ছোট্ট শিশু যে হয়তো তখনও বুঝতে পারছিল না তার সঙ্গে কী ঘটছে, যার ছোট্ট শরীরটা বাঁচার জন্য লড়াই করছিল সেই শিশুকে থামিয়ে দেওয়া হলো, শুধু একটি ‘ভুল’ আড়াল করার জন্য।
এরপরও শেষ হয়নি। শিশুটির মরদেহ লুকিয়ে ফেলা হয় অন্যের জমিতে, যেন সত্যটাকেও চাপা দেওয়া যায় মাটির নিচে।
কিন্তু সত্য চাপা থাকে না।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে যখন আয়শার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়, তখন শুধু একটি পরিবার নয়,পুরো এলাকা স্তব্ধ হয়ে যায়। শোকের পাশাপাশি মানুষের মনে জেগে ওঠে একটাই প্রশ্ন,মানুষ কীভাবে এতটা নিষ্ঠুর হতে পারে?
এই ঘটনাটি আমাদের সামনে একটি কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরে। আমরা আমাদের সন্তানদের কী শেখাচ্ছি? শুধু পড়াশোনা, না কি মানবিকতা, দায়িত্ব নেওয়ার সাহস, আর সত্য স্বীকার করার শক্তিও?
কারণ ভুল হতেই পারে। কিন্তু সেই ভুল ঢাকতে গিয়ে যদি মানুষ তার মানবিকতাই হারিয়ে ফেলে তখন সেই ভুল আর ভুল থাকে না, হয়ে ওঠে অপরাধ।

আয়শা আর ফিরবে না। কিন্তু তার গল্পটা থেকে যাক,একটি সতর্কবার্তা হিসেবে। যেন আমরা অন্তত শিখি, ভয়কে নয়, মানবিকতাকেই বেছে নিতে হয়,হবে।

কমেন্ট করুন

সর্বশেষ - কৃষি

আপনার জন্য নির্বাচিত

নিজামীর ফাঁসির রাতেই আ. লীগের ‘পতন’!

বাঘাইছড়িতে দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় ছাত্রদলের বিশেষ দোয়া মাহফিল

জুলাই-আগস্টে গণহত্যার দায় হাসিনার: তাজুল ইসলাম

স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে জামায়াত নেতার বাড়িতে মামাত বোনের অনশন

ছাত্রদল নেতা সাম্য হত্যার বিচার চাইলেন মির্জা ফখরুল

সিরাজগঞ্জে হিন্দু ছাত্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি খরচের দায়িত্ব নিল ছাত্রশিবির

মালয়েশিয়াজুড়ে ব্যাপক অভিযান, আতঙ্কে বাংলাদেশি অবৈধ প্রবাসীরা

ভাইস চেয়ারম্যান রাজু হ্যান্ডকাপসহ পালানোর কাণ্ডে শিবগঞ্জ থানা থেকে এসআই মামুনকে প্রত্যাহার

পুলিশের বিভাগীয় অধস্তন কর্মকর্তা ও কর্মচারী পদোন্নতি বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষা-২০২৫ অনুষ্ঠিত

মালয়েশিয়ায় ১৫০ বাংলাদেশিসহ ৬৬২ অভিবাসী আটক