ঢাকা আজ শুক্রবার, ৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আজ ৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অনুসন্ধান
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আর্টিকেল
  8. কবিতা
  9. কৃষি
  10. খেলাধুলা
  11. গণমাধ্যম
  12. গল্প
  13. জাতীয়
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. বিনোদন

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীদের সুরক্ষা নীতিমালায় বড় সংস্কারের দাবি

প্রতিবেদক
মিলেনিয়াম নিউজ বিডি
নভেম্বর ১১, ২০২৫ ৩:৫৫ অপরাহ্ণ

মো: এলাহী মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জোরালো সংস্কারের দাবি উঠেছে। বিশেষত জোরপূর্বক শ্রম, শোষণ ও মানবপাচার রোধে নতুন নীতিমালা অত্যন্ত জরুরি বলে মত দিয়েছে নাগরিক সমাজ সংগঠনগুলো। তাদের মতে, জাল কাগজপত্র তৈরি, কোটার অপব্যবহার এবং ভুক্তভোগীদের অপরাধী হিসেবে চিহ্নিতকরণসহ মানবপাচারের মূল সমস্যাগুলো এখনো সমাধান হয়নি। মানবপাচারের মূলহোতাদের বিরুদ্ধেও এখনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন নর্থ-সাউথ ইনিশিয়েটিভের নির্বাহী পরিচালক অ্যাড্রিয়ান পেরেইরা। পেরেইরা বিদেশি কর্মীদের জন্য একটি বিশেষ আইন প্রণয়নের প্রস্তাব দেন। তার মতে, এ ধরনের আইন বিদেশি শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা ও শ্রম অধিকারসহ সব দিককে সুসংহতভাবে পরিচালনা করতে সহায়ক হবে। তিনি বলেন, বিদেশি শ্রমিকদের শোষণ করে ব্যবসা পরিচালনা করা অনৈতিক।এছাড়া তিনি শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার পূর্ণ দায়িত্ব মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার পরামর্শ দেন। বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ প্রক্রিয়ার একটি বড় অংশ পরিচালনা করে থাকে, যা বিভিন্ন অসঙ্গতি তৈরি করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পেরেইরা বলেন, বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ ব্যবস্থায় স্বচ্ছ সংস্কার আনতেই হবে। কোনো সিন্ডিকেট বা পাচার চক্র যেন এখানে যুক্ত হতে না পারে।
তার এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর প্রকাশিত ২০২৫ সালের ‘ট্র্যাফিকিং ইন পারসনস (টিপ) প্রতিবেদনে মালয়েশিয়া টিয়ার–২ অবস্থান ধরে রেখেছে। তিনি মনে করেন, কিছু অগ্রগতি হলেও তা এখনো পর্যাপ্ত নয়।
এ বিষয়ে মানবাধিকারকর্মী গ্লোরিন দে সুজা বলেন, আন্তঃসংস্থার জবাবদিহিতা বাড়াতে হবে এবং প্রকৃত ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক সহায়তা ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। কাঠামো থাকলেও প্রয়োগে স্বচ্ছতা, ধারাবাহিকতা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা অত্যন্ত প্রয়োজন।তিনি বলেন, সর্বোচ্চ লক্ষ্য হওয়া উচিত—দেশে বসবাসরত প্রত্যেক মানুষ, তার অবস্থান যাই হোক না কেন, পাচার ও শোষণ থেকে সুরক্ষা পাবে।গ্লোরিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, এন্টি–ট্র্যাফিকিং কাউন্সিল এবং সংশ্লিষ্ট সেক্রেটারিয়েটের প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেন। তিনি জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকারি সংস্থা, এনজিও ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মধ্যে সমন্বয় আরও শক্তিশালী হয়েছে।তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে। বিশেষ করে অভিবাসী শ্রমিক, শরণার্থী ও গৃহকর্মীদের মধ্যে প্রকৃত ভুক্তভোগী শনাক্ত করা এবং পাচারকারীদের বিরুদ্ধে মামলা ও দণ্ড নিশ্চিত করা এখনো বড় সমস্যা গ্লোরিন বলেন, অনেক সময় ভুক্তভোগীদেরই ইমিগ্রেশন অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, আর মূল অপরাধীরা দণ্ডহীনভাবে কাজ চালিয়ে যায়।

কমেন্ট করুন

সর্বশেষ - কৃষি

আপনার জন্য নির্বাচিত

তুরিন আফরোজের ডক্টরেট ডিগ্রি ভুয়া: তথ্য দাখিল আপিল বিভাগে

সিরাজগঞ্জে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নেত্রকোনায় বয়ে চলেছে নির্বাচনী বাতাস

১৫ বাংলাদেশিস অভিবাসীকে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ‘রাজী’ নদী দখল এর অভিযোগে স্থানীয় জনগণের মানববন্ধন

কেন্দ্র দখল হলে পুরো নির্বাচন বাতিল করতে পারবে ইসি

৬ মাসের দাম্পত্য জীবন,৭ দিনের চাকরি—মর্গে পড়ে আছে নিথর স্বামী-স্ত্রীর মৃতদেহ

জিডি না করায় ঝুঁকিপূর্ণ হল তদন্ত: কলেজছাত্রীর দুর্ঘটনা নিয়ে আদালতে হত্যা মামলা

পঞ্চগড় সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় গরুসহ চোরাকারবারি আটক

আত্রাইয়ে ৩৩ প্রতিবন্ধী পেলো সহায়ক উপকরণ